August 12, 2014

স্মার্ট ফোন কিনুন স্মার্ট উপায়ে !!!

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে স্মার্ট ফোন একটি অন্যতম প্রয়োজনীয় উপকরণ। কেননা স্মার্ট লাইফস্টাইল এ অনেক কাজের জন্য এই স্মার্ট ফোন প্রয়োজন হয়, অনেকে এটিকে ডিজিটাল পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন।আর তাই সেরা একটি স্মার্ট ফোন সবারই কাম্য।
বাজারে অনেক ব্রান্ডের,বিভিন্ন মডেলের স্মার্ট ফোন পাওয়া যায়,কিন্তু শত শত মডেলের ভিড়ে কাঙ্খিত একটি ফোন বেছে নেয়ার জন্য স্মার্ট কিছু উপায় জানা প্রয়োজন।বর্তমানে এনড্রয়ীড চালিত স্মার্ট ফোন গুলি বাজারে সেরা
smart-phone-images
চলুন জেনে নেয়া যাক কিছু স্মার্ট গাইডলাইন, কিভাবে বেছে নিবেন আপনার এনড্রয়ীড চালিত সেরা স্মার্ট ফোনটি।
এন্ড্রয়েড ভার্সনঃ এন্ড্রয়েড ভার্সন কত তা দেখে নিবেন। । উল্লেখযোগ্য কয়েকটা ভার্সনের রেঞ্জ দেওয়া হল।তবে যত আপডেট ভার্সন হবে ততই ভালো।জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৩.৭),আইসক্রিম স্যান্ডওইস (৪.০-৪.০.৪),জেলিবিন (৪.১-৪.৩),কিটকেট (৪.৪-৪.৪.২)
র‍্যাম ও রম: ‍র‍্যাম ও রম একটু বেশি দেখে কিনবেন।‍ র‍্যাম ও রম একটু বেশি হলে আপনি অনেক গুলো এপ্লিকেশন ইন্সটল করে রাখতে পারবেন। এক সাথে অনেক গুলো এপ্লিকেশন রান করাতে পারবেন। বিশেষ করে বড় গেইম গুলো চালাতে পারবেন।
প্রসেসরঃ প্রসেসর কত তা দেখে নিবেন। যত উপরের দিকে হবে তত ভাল হবে। মনে রাখবেন ডুয়েল কোর চেয়ে কোয়াড কোর ভাল,তার ও চেয়ে অক্টা কোর ভাল।
ক্যামেরা: ক্যামেরার মেগা পিক্সেল দেখে কিনুন।সেকেন্ডারি ক্যামেরা আছে কিনা সেটাও দেখুন।
নেটওয়ার্ক: স্মার্ট ফোন টি যেন থ্রি জি ও ভিডিও কল সাপোর্ট করবে কিনা দেখে নিন।
ওটিজিঃ ওটিজি সাপোর্টেড কিনা দেখে নিন। ওটিজি থাকলে আপনি পেন্ড্রাইভ ও অন্যান্য ইউএসবি ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারবেন।
টাচ স্ক্রিনঃ টাচ স্ক্রিন্টটি কোন ধরনের তা দেখে নিন। টিএফটি এর চেয়ে গরিলা গ্লাস ভাল মানের।
ব্যাটারিঃ স্মার্ট ফোন গুলোর একটা বড় সমস্যা ব্যাটারির চার্জ অল্পতেই ফুরিয়ে যায়। তাই কেনার আগে ব্যাটারি কত মিলি এম্পিয়ার আওয়ার তা দেখে নিন।বাজারে এখন সবোর্চ ২৮০০ এম্পিয়ার পর্যন্ত পাওয়া যায়।
উল্লিখিত বিষয় গুলো বিবেচনা করে আপনার স্মার্ট ফোন টি বেছে নিন।
ধৈর্য্য সহকারে পোস্টটি পরার জন্য ধন্যবাদ।

From Here

July 26, 2014

Happy Eid Mubarak



Wishing A Very Happy Eid Mubarak, To You And All The Muslim Brothers Around The World

June 28, 2014

মেসি-নেইমারের দুর্লভ কিছু মুহূর্ত ! (একঝাক ছবিতে)

1

মেসি, নেইমার ও তাদের নিজ নিজ সন্তানের সাথে তোলা একটি ছবি
চারিদিকে চলছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের যুদ্ধ। ঘরে ঘরেই তর্ক বিতর্ক চলছে কে সেরা সেটা নিয়ে। আর এই তর্ক বিতর্ক গড়াচ্ছে মারামারি এমনকি খুনাখুনি পর্যন্ত। কিন্তু যেই মেসি আর নেইমারকে নিয়ে এতো প্রতিযোগীতা আর এতো মারামারি চলছে, তাদের নিজেদের মধ্যে সম্পর্কটা কী রকম? তাঁরা কি বন্ধু নাকি চির শত্রু?
2 
ফুটবলের মাঠে কখনো একসাথে একই দলের হয়ে খেলা হয়, আবার কখনো নিজের দেশের হয়ে বিপরীত দলে। কিন্তু যেই দলেই খেলা হোকনা কেন মেসি ও নেইমারের মধ্যে বরাবরই আছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।দুজনেই দুজনের সাথে খুনসুটিতে মেতে ওঠেন। সেই সঙ্গে দুজনেই দুজন সব বিষয়ে বেশ সাহায্য করেন।
3 
বিশ্বকাপে নেইমারের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে কিনা সেই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে মেসি বলেন – “নেইমারের সঙ্গে লড়তে আসিনি বিশ্বকাপে। ও আমার সতীর্থ। আমার বন্ধু। মানুষ হিসেবেও দারুণ। আমাদের মধ্যে খুব ভাল সম্পর্ক। জানি ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার মধ্যে লড়াই হবে মাঠে, আমাদের মধ্যে নয়”।
4 
মেসি প্রসঙ্গে নেইমার বলেন, “মেসির সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব দারুণ। মেসি বিশ্বসেরা একজন কিংবদন্তী খেলোয়াড়। তাকে আমি শ্রদ্ধা করি”। বিশ্বকাপে মেসির সাথে নেইমারের তুলণা করার বিষয়টিও নেইমার ভালো চোখে দেখছেন না।
5 
দুজনের মধ্যে এই অকৃত্রিম বন্ধুত্বটাকে ভক্তরা যেন নষ্ট করে দেয়ারই চেষ্টা করছেন। বিষয়টি নিয়ে এই দুই তারকাই বিরক্ত। মেসি এই প্রসঙ্গে বলেছেন যে “বিশ্বকাপের এই এক মাসের জন্য আমাদের সম্পর্ক নষ্ট করবেন না। কারণ বছরের বাকি অংশে আমাদেরকে বার্সেলোনার হয়ে একসাথে খেলতে হবে”।

From www.somoyerkonthosor.com/news/91926